শ্রীরামকৃষ্ণের অমৃতকাহিনি

  • Sale
  • Regular price Rs. 700.00
Shipping calculated at checkout.


SRI RAMKRISHNER AMRITAKAHINI 

লেখক: রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় 

পৃষ্ঠা : ২৫৬

শ্রীরামকৃষ্ণকে নিয়ে রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনন ও মনকেমন, তাঁর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রেম ও শ্রীরামকৃষ্ণ অনুভব বিদগ্ধ ও বিভোর বিন্যাসে ছড়িয়ে আছে শ্রীরামকৃষ্ণকে নায়ক করে তিনটি উপন্যাসে: আবার কবে আসবে ফিরে, নারীর প্রথম পূজারি শ্রীরামকৃষ্ণ, সারদা থেকে শ্রীমা। তিনটি উপন্যাস প্রথম গ্রন্থিত হল একই প্রচ্ছদের অন্তরে। বাংলার পণ্ডিতেরা কেউই শ্রীরামকৃষ্ণকে স্থান দেননি পুরুষশাসিত ও পৌরুষদাপিত বাংলার নবজাগরণের ইতিহাসে। কেন-না, শ্রীরামকৃষ্ণ ছিলেন আপাতদৃষ্টিতে এক মূর্খ পূজারি এবং ভাবপাগল মানুষ। বাংলার পণ্ডিতদের অহং বাধা দিয়েছিল এই 'সামান্য' পুরোহিতকে বাংলার নবজাগরণের গল্পে সূচ্যগ্র জায়গা ছাড়তে। অথচ শ্রীরামকৃষ্ণের শিষ্য, ভুবনখ্যাত ইনটেলেকচুয়াল সন্ন্যাসী, বিবেকানন্দ বলেছেন, শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত উপনিষদের সারাৎসার। সেই শ্রীরামকৃষ্ণকে রঞ্জন, বাংলার তথাকথিত পণ্ডিতদের অহং চুরমার করে, মার্কসবাদী বিরোধিতা তছনছ করে, বসালেন অতি সহজ সরল অ-রাজনৈতিক নির্ণয়ে ও নির্মাণে উনিশ শতকে বাংলার নবজাগৃতির দিশারি আসনে। বাংলার সেই নবজাগরণে শুধু তো পুরুষের দাপট। সেই সময়ে নিজের স্ত্রীকে পুজো করে বাঙালির ঘরে ঘরে, বাঙালির সমাজে সংসারে, নারী লাঞ্ছনার কথা ভেবেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ।

নারীকে বসিয়ে ছিলেন পুরুষের অহংকারের অনেক ঊর্ধ্বে। ভেবেছিলেন যাত্রা ও থিয়েটারের মাধ্যমে সারা বাংলা জুড়ে স্ত্রীশিক্ষার প্রসারের কথা। আর বিদ্যাসাগরকে প্রশ্ন করতে পেরেছিলেন, এত যে বই পড়েছ, 'তাঁকে' জেনেছ তো? 'তাঁকে' জানাই সব জানা বিদ্যাসাগর, তোমার আর সব জানাই অবিদ্যা ! এই কথাটি বাংলার নবজাগরণের ইতিহাসে আর কেউ বলেছেন কি? এই দুর্ধর্ষ প্রশ্ন প্রথম তুললেন রঞ্জন।

 

আকার : 22(h)× 15.5(w)× 3.5(d)