CHHUYE THAKO ANDHOKAR
লেখক: ইন্দ্রজিৎ সামন্ত
পৃষ্ঠা : ৬৪
পৃথিবীর যে কোনো মহৎ সৃষ্টির উৎস হল যন্ত্রণা বা দুঃখ। "অন্ধকার' তারই সমার্থক। 'মন্ত্রণা' বা 'দুঃখ' না থাকলে কবিতা আসে না, শব্দ আসে না। সমস্ত গরল আত্মসাৎ করে পেতে হবে অকথ্য যন্ত্রণা, আর সেই যন্ত্রণার মধ্যে থেকে জন্ম নেবে পবিত্র অন্ধকার। অন্ধকার কেন পবিত্র? কেন আলোর উলটোপথে হেঁটে অন্ধকারকে ভাস্কর করেছিলেন ফরাসি কবি শার্ল বোদলেয়ার? কেন থিকথিকে ঘন অন্ধকারের মধ্যে ফুটে ওঠে সাতটি তারার তিমির? কেন নক্ষত্রের ভালোবাসা পুড়ে যায় অন্ধ আকাশে? এর উত্তর একটাই- অন্ধকার ফুটে উঠলে প্রাণ পায় আলোর গতিপথ, শব্দ ডানা ঝাপটায়, দিগন্তবিস্তারী অভাবনীয়ের সামনে এসে দাঁড়ায় যে প্রশ্ন তাকে একমাত্র পথ চিনিয়ে নিয়ে যায় 'অন্ধকার'। অন্ধকার আমাদের ঋত্বিক, আমাদের চৈতন্য। তাই কবি অন্ধকারকে ছেড়ে থাকতে চান না। তার কাছে অন্ধকার হল 'শূন্যতা আর রেখার কাটাকুটি'। অন্ধকারকে কবি 'আয়ুষ্মতি' হওয়া কথা বলেন। অন্ধকার তার আপনজন, শৈশব-কৈশোর-যৌবনের অন্ধকার ছুঁয়েই তার পথ চলা। এই অন্ধকারকে তিনি ছেড়ে থাকতে চান না।
আকার : 22(h)× 14(w)× 1(d)