DHIRENDRANATHER DIARY : PATALDANGA THEKE JIBONDEEP
সম্পাদনা : শ্যামশ্রী বিশ্বাস সেনগুপ্ত
পৃষ্ঠা : ১৩৬
'এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা/ হেঁটে দেখতে শিখুন/ হেঁটে দেখতে শিখুন, ঝরছে কি খুন দিনের রাতের মাথায়/আরেকটা কলকাতায় সাহেব, আরেকটা কলকাতায় সাহেব বাবুমশায়।' কলকাতা কি শুধু সাহেব বা বাবুমশায়দের? মফস্বল থেকে মুসাফিরের মতোই কলকাতার রাস্তায় হেঁটে হেঁটে ঘোরে এক কিশোর। পটলডাঙা থেকে কলুটোলা, ওয়েলিংটন স্কয়ার থেকে ক্লাইভ স্ট্রিট। কখনও ধনীগৃহে বাজার সরকারের কাজ, কখনও টাইপ রাইটার বা হিসাব রক্ষক। উত্তর কলকাতার তুমুল মেসজীবন তাকে পাঠ দেয় জীবনের। মানিক পিরের গান, মেসের প্যারোডি ও স্বদেশি আন্দোলন মিলেমিশে যায় দৈনন্দিন দিনলিপিতে। চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইতিহাসের উপাদান, ঝুলিতে কুড়িয়ে নেন ডায়েরি লেখক। উঠে আসে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, শহর কলকাতার নানান কিস্ সা। দেশবরেণ্য নেতাদের বক্তৃতা, চিত্তরঞ্জন দাশের রাস্তায় নামা, সেবাকল্পে গান্ধিজির হাতে অর্থ তুলে দেওয়া, প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের বেঙ্গল কেমিক্যাল- সবই এ ইতিহাসের অঙ্গীভূত। পাশাপাশি এ ইতিহাস কোনো এক সাধারণ পরিবার, বৃহত্তর সমাজ বা পরিবার নামক তন্ত্রের আপিলা চাপিলা। এখানে রয়েছে দায়িত্বে - কর্তব্যে, আত্মহননে, বিশ্বাসঘাতকতায় আকণ্ঠ নিমগ্ন হওয়ার ফালি ফালি সাতকাহন।
আকার : 23(h)× 15(w)× 2.5(d)