Akhando Kadambari
লেখক : রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
পৃষ্ঠা : ৩১১
রবীন্দ্রনাথের নতুন বউঠান কাদম্বরীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের গোপন প্রণয় নিয়ে প্রথম স্পষ্ট উচ্চারণ বাঙালি পেল রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় - এর অবিস্মরণীয়, দুঃসাহসী ‘কাদম্বরীদেবীর সুইসাইড – নোট উপন্যাসে। এই বিপুল বিতর্কিত উপন্যাস নিয়ে তুফান উঠল বাঙালির চায়ের কাপে। কাঁপন ধরল বাঙালির মেরুদণ্ডে। চিড় ধরল বাঙালির মূর্তিপূজার মন্দিরে। উড়ে গেল সাজানো ভক্তির ছাইপাঁশ। এবং ‘কাদম্বরীদেবীর সুইসাইড - নোট ‘বেস্টসেলার লিস্টের শীর্ষে বছরের পর বছর থাকার নতুন রেকর্ড করে জ্বালা ধরাল কিছু বাঙালির বুকে। চ্যালেঞ্জ করল বঙ্গ সংস্কৃতির হজম শক্তিকেও। রঞ্জন যুগপৎ নিন্দিত ও নন্দিত হলেন। তাঁকে আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে সাংস্কৃতিক অতিথি হয়ে এক সপ্তাহের সম্মান ছুটি কাটাতে। এবং রাষ্ট্রপতি ভবনে রঞ্জন-কে স্বাগত ভাষণে জানাতে ভুলে গেলেন না যে সমস্ত বিতর্ক সত্ত্বেও তাঁর ভালোলেগেছে কাদম্বরী - উপন্যাসের সৎ সাহসী উন্মোচন।
রবীন্দ্রনাথ – কাদম্বরী সম্পর্কে রঞ্জন বারবার ফিরে এসেছেন তাঁর বিভিন্ন উপন্যাসে, শ্রুতিনাটকে, প্রবন্ধে। কখনও এই সব লেখা রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। কখনও কাদম্বরীর দৃষ্টিকোণ। অনেক বছর ধরে সমস্ত তর্ক বিতর্ক, প্রশ্ন পরিপ্রশ্ন, নিন্দা প্রশংসার মধ্যেও চলল রঞ্জনের নিরন্তর রবীন্দ্র – কাদম্বরী এষণা ও চর্চা। এবং রবীন্দ্র সন্ধানের এই ধারাটি তাঁকে ক্রমশ পৌঁছে দিয়েছে প্রকাশকের কাঙ্ক্ষিত সফলতায়, প্রার্থিত প্রিয়তায়। আমরা ক্রমশ বুঝতে পারলাম রঞ্জনের রবীন্দ্র - কাদম্বরী সন্ধানের সমস্ত লেখা একত্র করে অখণ্ড কাদম্বরী বাঙালি পাঠকের হাতে তুলে দিতে আর দেরি করা চলবে না। রবীন্দ্রনাথের কিছু ছোটো গল্প, কিছু উপন্যাস, কিছু প্রবন্ধ আর চিঠিপত্রের অন্দরমহলের চাবি লুকিয়ে আছে রবীন্দ্রনাথের প্রেম জীবনেই ।তাঁর নিজের স্বীকারোক্তি, তিনি নারীর চোখ আকঁতে এঁকেছেন নতুন বউঠানের চোখ। আর তাঁর প্রেমের গানের কেন্দ্রে তো ‘একদা তুমি প্রিয়ে ‘ হয়ে কাদম্বরী, জীবনের যে নেশা ও বীজমন্ত্র থেকে মুক্তি নেই কবির ।
আকার: 21.8 (h)× 14 (w)× 2.8 (d)