BIYE : AAJ KAL PARSU
সম্পাদনাঃ গার্গী রায়চৌধুরী, সুমিতা বীথি
পৃষ্ঠা : ১৩৬
কোথাও আছে শ্বেতকেতু মায়ের কষ্ট নিবারণের জন্য নিয়ন্ত্রিত বিবাহ বিধি তৈরি করেছিলেন, কোথাও দেখছি পিতার সংসার বাঁচানোর জন্য। তবে শুরু যেখান থেকেই হোক আর যে জন্যই হোক, দিনের শেষে সতীত্ব ও একগামিতা পালনের দায়িত্ব নারীর, পুরুষের বহুগামিতা নিয়ে কোথাও কোনো প্রশ্ন উঠছে না। এই বইয়ে আমরা দেখতে চেয়েছি সেই কবে থেকে আজ অবধি এই বিবাহ ব্যবস্থাটার মধ্যে কী এমন বিশেষ প্রাপ্তি লুকিয়ে আছে যার জন্য হাজার-হাজার বছরের একটা প্রতিষ্ঠান এখনও রাজত্ব করে চলেছে পৃথিবী দাপিয়ে। সময়ের সঙ্গে তার চলন কিছু বদলেছে কি? কাজটা করতে গিয়ে আমাদের মনে হয়েছে বিবাহ একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বদাই ঐতিহ্য ও রূপান্তরের সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে আছে। সভ্যতাতে ও শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে এটা কেবলমাত্র দুই ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পর্কই নয়, বরং একটি সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং কখনও কখনও রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করে এসেছে। ভবিষ্যতের চশমা আগেভাগে চোখে পরে বিয়ের দিকে তাকালে মনে হচ্ছে আরও অনেক ভাঙচুর অনিবার্য। এক অজানা, নতুন সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, লিঙ্গ ও যৌনতা সম্পর্কে পরিবর্তনশীল ধারণা, পারিবারিক কাঠামোর বিবর্তন এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার রূপান্তর বিয়ের আকৃতি ও অর্থকে আরও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে।
আকার : 23 (h)× 15 (w)×2.5(d)