BARNANDHER RASTAPAR
লেখক: সুদেষ্ণা মৈত্র
পৃষ্ঠা :৫৬
জন্মে আকাঙ্ক্ষা নেই। নাকি তার কান্ত গ্ৰীবা পুনরায় পেতে চায় তথাগত জন্মের স্নান ! শীর্ণ। আকুলদেহ, পূর্ণ জ্যোতি বনের প্রেমে বিঁধে যায়; জননী সেজে আকুল তরঙ্গে। কবিতায়। যে লেখাতরঙ্গ জুড়ে অভিমান ফিরে ফিরে আসে আমাদের রাত্রি স্তবক। এইবার সে সকল ধ্যানবর্ণ সময়ের নাম বর্ণান্ধের রাস্তা পার হোক। অনাথ পথের পাশে যে দেবী কাটায় দিন, ঝড়ে জলে বিচ্ছেদে যে দেবী অনাগত দুঃখ লিখে রাখে, বালিকাগড়ন তারও অমোঘ জলের স্মৃতি নাড়া দেয় তোমাকে আমাকে নিজেকে কিষানি ভেবে লাঙল-তন্ত্র দিয়ে লিখে চলে বিরহ মাথুর, আমরা ভাবতে পারি এইসব স্নায়ুতন্তুরাশি একরোখা মেয়েটির ভালোবাসা, মুগ্ধ লেখাপুর। ঘিরে ঘিরে থেকে যেতে চাই। নরম তার উঠোনের পারে স্নেহবতী নদী রয়ে গেছে। ঢেউজন্ম, ঢেউমৃত্যু, নিথর মনের ঢেউ মা-শব্দে শেখায় আকুতি। এবং স্বচ্ছ জলে ডুবে থাকা পাথরের গায়ে এঁকে দিতে চায় নিজ নাম। হাওয়ায় শোকের দাগ। সেই দাগে স্থির চোখ রেখে করালী দেবতা গান গায়। দেবালয় লুণ্ঠনের গান। পথিক যদি বুঝে নিতে চায়, লেখার পায়ে দু-দণ্ড বসুক। পরব্রহ্ম মুক্ত বিহগ ? নাভিস্বপ্ন অন্তিম সুখ? আলোচালে পাবে উত্তর। খিদেমন্ত্রে পাবে উত্তর। জীবনের সামান্য বিরলে জীবনের পূর্বযোনিকথা, কাঁধে রাখা স্পর্শ উচ্ছ্বাস অনিমেষ নয়নে পোড়াবে। স্নান হবে কবিতার ছাই। কী করি ভূতলে একা! আমরা তবে বর্ণান্ধের ছায়াতলে যাই...
আকার : 21(h)× 15(w)× 1.5(d)